London – CAGE calls for the immediate release of Samiun Rahman, a 24-year-old London minicab controller who was held without charge for nine months in Bangladesh and whose bail request will be lodged today.

Rahman was apprehended while in Bangladesh on family business, as part of a stage managed arrest [1]. He was already under arrest when the police announced a nationwide manhunt for him and then staged a mock arrest at a railway station in Dhaka.

His charge sheet falsely states that he was arrested by UK police on suspicion of terrorism charges in December 2013, however this is untrue as he was not even in the UK at that time.

He has been accused of recruiting for both ISIS and the al-Nusra front, which cannot be true as all informed commentators are aware the two groups have deep hostility against each other and are in conflict. His wife Fatima Rahman, said the family has also been forced to pay a bribe to prevent him from being tortured [2].

According to a Foreign and Commonwealth Office report, he has been beaten by prison guards on at least one occasion.

Rahman like many suspects, may have been tortured. His charge sheet alleges that he admitted to “to recruit young people to join Jihad in Syria”, but his travels in the region were for educational reasons and unconnected to his subsequent aid visits to Turkey.

Local rights organisations such as Odhikar as well as Human Rights Watch and Amnesty International have reported that Bangladesh is well known for enforcing long pre-trial periods on awaiting trial detainees, during which they are often subject to torture.

Three more Britons, Gulam Mustafa, Jamil Rahman and Faisal Mostafa [3] were tortured while in Bangladesh with the complicity of British security services, a claim corroborated by counter-terrorism officers in Bangladesh at the time and explored in a CAGE report [4].

The independence of the judiciary in Bangladesh is highly questionable.The Chairman of the National Human Rights Commission Chairman Prof Mizanur Rahman recently expressed a fear that the judiciary itself was almost redundant. [5]

Fatima Rahman, wife of Samiun Rahman, told CAGE:

“My husband is a kind, thoughtful man and is always looking for opportunities to help others, especially orphans. The allegations made against him are false and very strange. They do not reflect his character in any way.”

“My husband has been held in prison for more than nine months and only now he is being made aware of what he has been accused of. He has suffered many health problems and has been refused medical attention on several occasions.”

“As a British citizen, I feel that much more can be done for him by our government in ensuring he is treated humanely and in working to get him released. I am petrified as to what will happen especially after reading about three other British citizens who were tortured in Bangladesh.”

Cerie Bullivant, spokesperson for CAGE, said:

“Samiun Rahman has been detained in conditions incompatible with basic human rights and principles, and it appears the British government has abandoned him, despite his charge sheet being full of holes and quite simple to disprove.”

“It is well known that Bangladeshi authorities have coerced people into signing false confessions through the threat or use of torture.”

“The British government must step up and protect Samiun Rahman in compliance with its international law duties.”

Solicitor H.M. Nure Alam, acting on behalf of Samiun Rahman, told CAGE:

“Even after requesting bail numerous times for Samiun Rahman, the High Court did not accept the request. There is no evidence to support the accusations made against him, yet he has been held in prison for the last 10 months without any charge.”



[1] Rahman’s arrest shines light on UK complicity in Bangladesh reign of terror: CAGE –

[2] ‘Torture bribe’ demanded after ‘stage managed’ arrest of Briton alleged ISIS recruiter in Bangladesh: The Independent –

[3] British man at centre of torture claim returns from Bangladesh: The Guardian –

[4] CAGE was the first human rights group to unveil cases of British complicity in torture throughout the War on Terror. Read this report for more –

[5] Judiciary could become redundant: Human Rights Bangladesh –



Bangla Translation:

৯ মাস ধের বাংলাদেশে আটক ব্রিটেনের অধিবাসী সামিউন রহমানের মুক্তি দািব কেরেছ CAGE (লন্ডন ভিত্তিক আইন সংস্থা)

লন্ডন ভিত্তিক আইনি সংস্থা কেইজ (CAGE) বিনা অভিযোগে ৯ মাস যাবত বাংলাদেশে অন্তরীন থাকা লন্ডনের মিনিক্যাব কন্ট্রোলার (মিনিক্যাব অধিক্ষক??) (২৪) আগামী কাল যার জামিনের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

সাজানো গ্রেফতার ঘটনার অংশ হিসেবে রহমানকে আটক করা হয়, যিনি তখন বাংলাদেশে পারিবারিক কারণে অবস্থান করছিলেন। তিনি আটক থাকা অবস্থায়ই সারাদেশে তাকে ধরার জন্য অভিযান চালানো হয় এবং এর পর ঢাকার রেল ষ্টেশনে গ্রেফতারের নাটক সাজানো হয়।

তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে যে, তাকে যুক্তরাজ্যের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সন্ত্রাসী কার্যকালাপের দায়ে গ্রেফতার করে, যা অসত্য কারণ তখন তিনি যুক্তরাজ্যে অবস্থানই করছিলেন না।

অভিযোগপত্রে তাকে ইসলামিক স্টেটস এবং আল-নুসরা বাহিনীর সদস্য সংগ্রহের জন্য অভিযুক্ত করা হয়, যা সত্য হতে পারেনা কারণ সকলেই অবগত যে এদের মধ্যে শত্রুতা এবং সংঘর্ষ বিরাজমান। তার স্ত্রী ফাতিমা রহমান অভিযোগ করেন যে তাকে নির্যাতন থেকে বাঁচাতে তার পরিবারকে বাধ্য হয়ে ঘুষ প্রদান করতে হয়েছে।

Commonwealth বিদেশ বিষয়ক অফিসের ভাষ্য মতে, কারারক্ষী কর্তৃক তাকে প্রহারের শিকার হতে হয়েছে।

অন্যান্য অভিযুক্তদের মত রহমানও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তার বিপক্ষে দায়ের করা অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে যে সে “তরুণদের সিরিয়ার জ্বিহাদে যোগ দেয়ার জন্য সংগ্রহ করতেন” মর্মে স্বীকারোক্তি প্রদান করেছে, কিন্তু তার সে অঞ্চলে ভ্রমন ছিল নিতান্তই শিক্ষাবিষয়ক এবং পরবর্তী তুরস্ক ভ্রমণের সাথে সম্পর্কহীন।

স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা অধিকারসহ  হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ বিচারের জন্য অপেক্ষমান অভিযুক্তদের দীর্ঘ বিচারপুর্ব সময়ের  মধ্য দিয়ে যেতে হয় এবং ওই সময় প্রায়ই নির্যাতনের স্বীকার হতে হয়।

আরো তিন ব্রিটেনের অধিবাসী, গোলাম মোস্তফা, জামিল রহমান এবং ফয়সাল মোস্তফা ব্রিটিশ সিকিউরিটি এজেন্টদের সহায়তায় অভিযুক্ত হয়ে নির্যাতনের স্বীকার হন যা তৎকালীন সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকর্তাদের দ্বারা প্রতিপন্ন হয় এবং কেইজের (CAGE) এর একটি প্রতিবেদনে আবিষ্কার করা হয়।[****]

বাংলাদেশে বিচারালয়ের স্বাধীনতা অত্যন্ত বিতর্কিত। বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর মিজানুর রহমান সম্প্রতি একটি শঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে বিচারালয় নিজেই প্রায় অপ্রয়োজনীয়।

সামিউন রহমানের স্ত্রী, ফাতিমা রহমান কেইজ (CAGE) কে বলেনঃ

“আমার স্বামী একজন অত্যন্ত বিবেচক মানুষ এবং সে সবসময় অন্যকে সাহায্য করার সুযোগ খুঁজতে থাকে, বিশেষ করে এতিমদের। তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ গুলো মিথ্যা এবং সত্যি আশ্চর্য্যজনক। সেগুলো কোনোভাবেই তার চরিত্রের প্রতিফলন ঘটায় না।”

“আমার স্বামীকে নয় মাস কারাগারে বন্দী করে রাখা হয়েছে এবং এতদিনে সে কি জন্য অভিযুক্ত তা তাকে জানানো হয়েছে। সে অনেক শারীরিক সমস্যায় ভুগেছে এবং বেশ কয়েকবার তার চিকিৎসা লাভের আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।“

“একজন ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি তার সাথে মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা এবং তাকে মুক্ত করে আনার জন্য সরকারের অনেক কিছুই করার আছে।“

কেইজের (CAGE) মুখপাত্র সিরি বুলিভান্ট বলেনঃ

“সামিউন রহমানকে মৌলিক মানবাধিকারের সাথে অসঙ্গতিপুর্ণ পরিস্থিতিতে আটক রাখা হয়েছে এবং মনে হচ্ছে যে ব্রিটিশ সরকার তাকে পরিত্যাগ করেছে, যদিও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগপত্রে অনেক ফাঁক রয়েছে এবং ভুল প্রমাণ করা একদম সহজ।”

“বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্যাতন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপুর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করা খুবই পরিচিত।”

“ব্রিটিশ সরকারকে অবশ্যই এগিয়ে আসতে হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী দায়িত্ব প্রতিপালন করে সামিউন রহমানকে রক্ষা করতে হবে।”

সামিউনের পক্ষে আইনজীবী এইচ.এম.নুরে আলম কেইজকে বলেনঃ

“অসংখবার সামিউন রহমানের জামিন আবেদন করার পরও হাইকোর্ট আবেদন নামঞ্জুর করে। তার বিরুদ্ধে করা অভিযুগ গুলো সমর্থন করার মত কোনো সাক্ষ-প্রমাণ নেই, তারপরও তাকে বিনা অভিযোগে ১০ মাস কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।”


Press enquiries:

Ibrahim Mohamoud

Communications officer

+(44) 207 377 6700  |

(NOTE: CAGE represents cases of individuals based on the remit of our work. Supporting a case does not mean we agree with the views or actions of the individual. Content published on CAGE may not reflect the official position of our organisation.)